রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় মিয়ানমারের আরাকানে সেফ জোন করা উচিত। একই সঙ্গে জাতিসংঘের নেতৃত্বে শান্তিরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করা প্রয়োজন। চলমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সাধারণ আলোচনায় এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। চলমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ ধারায় আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি।
এসময় তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আর্কষণে সক্ষম হয়েছি। বিএনপি আজ পর্যন্ত সেখানে যায়নি। তারা বলছে আমরা নাকি ব্যর্থ। বিএনপি একটি দল যারা কোনও ভালো কাজ দেখে না। ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে গিয়েছেন। বিএনপির কোনও খবর নাই।
বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘মহিলা, শিশুসহ প্রায় তিন লাখ মানুষ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। তারা গণহত্যার শিকার। ল্যান্ড মাইন পুঁতে রাখছে মিয়ানমার। এটা অপরাধ।’
শেখ ফজলুল হক সেলিম বলেন, ‘শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে। নাফ নদীতে রক্তের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। নিরীহ মানুষের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অত্যাচার করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত রোহিঙ্গাদের রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করেছিল। তাদের ভোটার করেছিল। কোনও সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীকে আমরা আশ্রয় দেওয়া দেবো না।’