ফরিদুল হক খানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এন্ট্রি ফি আদায় বাধ্যতামূলক করায় হজযাত্রী পাঠাতে প্রাথমিকভাবে কিছুটা সমস্য হয়। টিকিটিং এজেন্সি কোন কোন হজ এজেন্সির কাছে কখন কতটি টিকিট বিক্রি করেছিল তার তালিকা না পাওয়ায় কিছু যাত্রীর যথাসময়ে বিমানে উড্ডয়নের বিষয়টি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় মনিটরিং করা সম্ভব হয়নি। সরকারের শতভাগ প্রচেষ্টা থাকা সত্ত্বেও নানাবিধ সমস্যার কারণে হজযাত্রার শুরুর দিকে কিছু কিছু ত্রুটি দেখা দেয়। তবে সরকারের প্রচেষ্টায় শেষদিকে তা নিরসন হয়।’
কামাল আহমেদ মজুমদারের প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘অতিরিক্ত মুনাফার আশায় কিছু এজেন্সি প্রতিবছর দেরিতে বাড়ি ভাড়া করে থাকে। এ কারণে এজেন্সিগুলো ফ্লাইট শিডিউলের শেষের দিকে হজযাত্রী পাঠানোর চেষ্টা করে।’ মন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত ১৮টি এজেন্সির বিরুদ্ধে ৯৮ জন হজযাত্রীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
ভবিষ্যতে হজ ব্যবস্থাপনা সুচারুরূপে পরিচালনায় সরকারের সিদ্ধান্ত তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন,‘হজ এজেন্সিগুলোকে যথাসময়ে বাড়ি ভাড়াপূর্বক প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিকিট নিশ্চিত করতে হবে। ফ্লাইট শুরুর অনন্ত ১৫ দিন আগে আবশ্যিকভাবে টিকিট ক্রয় করতে হবে।’ একেএম শাহজাহান কামালের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চলতি বছর হাজযাত্রীদের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পাঠানোর পেছনে সরকারের ব্যয় হয়েছে ২৬ কোটি ৫ লাখ ৩১২ টাকা।
আব্দুল মতিনের প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে যাওয়া টিমের সদস্যরা হাজিদের যথাযথ খেদমত করে থাকেন। হজ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি তারা হজেও অংশগ্রহণ করে থাকেন। আবার অনেকে হ্জ পালনে বিরত থেকে শুধু হজ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকেন।’
সংরক্ষিত আসনের ফিরোজা বেগম চিনুর প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, ‘অনুমোদিত এক হাজার ১৬২টি হজ এজেন্সির মধ্যে ২০১৭ সালে ৬৩৫টি অংশ নিয়েছে।’ কুমিল্লার নূরুল ইসলাম মিলনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘দালালের মাধ্যমে হজের টাকা জমা দিয়ে কেউ প্রতারণার শিকার হলে প্রচলিত আইনে শাস্তির বিধান করা হবে।’