ভারত ও চীন বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘চীন ও রাশিয়া এ মানবিক সংকটে, মর্মান্তিক পরিস্থিতিতে, মানবতার, সত্য-ন্যায় ও যৌক্তিকতার পক্ষে অবস্থান নেবে আমি আশা করি। দ্বিচারিতা আমরা আশা করি না। মানবিক সাহায্য যারা করতে চান, করবেন। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমারের বর্বর গণহত্যাকে সমর্থন করা দুঃখজনক ও দুর্ভাগ্যজনক। আমি আশা করি এ মানবিক সংকটে তারা যথাযথ ভূমিকা পালন করবে। জাতিসংঘে তারা যে অবস্থান নিয়েছে, সেই দেশটির শেষ অবস্থান হবে না।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এই মানবিক সংকটে প্রচুর সাহায্য পাওয়া যাচ্ছে। ভারত সাত হাজার টন ত্রাণ সাহায্য দিচ্ছে। দেশের ভেতর থেকেও সাহায্য পাওয়া যাচ্ছে। এসব কারণে এখন পর্যন্ত সরকারি ত্রাণ ব্যবহারের প্রয়োজন হয়নি।’
রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন মধ্যযুগের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে মন্তব্য করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে তাদের ওপর টর্চার, রেপ নেমে এসেছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার, নির্যাতন কত বর্বর, কত পাশবিক, তা নৌকায় সাগর পাড়ি দেওয়া থেকে ভয়ঙ্কর। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই অত্যাচার, নিপীড়ন মানব সভ্যতার ইতিহাসে, এই নিষ্ঠুরতা আদিম সাম্যবাদী সমাজ, মধ্যযুগের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে।’
এ সময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মুকুল বোস, কার্যনির্বাহী সদস্য পারভীন জামান কল্পনা, মেরিনা জামান, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জয়ন্ত সেন দীপু, সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার পাল, ঢাকা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিএল চ্যাটার্জীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।