মন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে সব জরাজীর্ণ বিদ্যালয় মেরামত করে শিক্ষা উপযোগী শ্রেণিকক্ষ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শহরের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে দৃষ্টিনন্দন করার পাশাপাশি দেড়শ বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের কাজ চলতি বছরের নভেম্বর মধ্যে শেষ করতে হবে।
তিনি বলেন, যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই,সেখানে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হবে। আর যেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব নয় সেখানে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সব বিদ্যালয়ের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণসহ দ্রুত তালিকা প্রণয়ন করতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারভিত্তিতে ঢাকা শহরের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে দৃষ্টিনন্দন করার নির্দেশ দিয়েছেন।
সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। খবর বাসস।