পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের সভাপত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন আব্দুল্লাহ, ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংয়ের (আইডব্লিউএম) নির্বাহী পরিচালক ড. মনোয়ার হোসেন, দেশীয় স্তরে কর্মরত এনজিওগুলোর প্রশিক্ষণ, পরামর্শদাতা ও আন্তর্জাতিক সেবাসংস্থাগুলোর সঙ্গে সংযোগকারী সংস্থা প্রিপ ট্রাস্ট-এর নির্বাহী পরিচালক আরমা দত্ত, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. নজরুল আনোয়ার, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) মহাপরিচালক মো. মাহফুজুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া খসড়া বিধিমালাটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের পর প্রকাশিত হবে গেজেট আকারে। ২০১৩ সালের পানি আইন কার্যকর প্রয়োগে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদকে সম্পৃক্ত করতে হবে। ‘পানি বিধিমালা-২০১৭’-এর আলোকে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ পানি ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন কার্যকর করবে।২০১৩ সালের পানি আইন বাস্তবায়নে পানিসম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার (ওয়ারপো) প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করতে জনবল বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে। সভায় খাবার পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য পরিচর্যার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপদ পানির ব্যবহার এবং এ সমস্যা মোকাবিলায় একটি সমন্বিত রোডম্যাপ তৈরির কয়েকটি প্রস্তাব নেওয়া হয়।
সভায় পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘দেশের ৫৭টি নদীর মধ্যে ৫৪টিই অভিন্ন নদী। নদীর পানি দূষণ রোধ ও পানির সুষ্ঠু ব্যবস্থা জরুরি হয়ে পড়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা ও পানি শক্তিকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো আজ বড় চ্যালেঞ্জ।’
পানিসম্পদমন্ত্রী জানান, ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশসহ এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পানির চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান কমিয়ে আনার সুপারিশ বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নদীর পানি দূষণ কমাতে বাংলাদেশ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে এসডিজির লক্ষ্য অর্জন সফল করতে হবে।
সভায় জানানো হয়, পানিসম্পদের সঙ্গে যুক্ত ১৬টি মন্ত্রণালয় ও ১২৫টি প্রতিষ্ঠান এই বিধিমালা তৈরি করতে জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় পর্যায়ে অভিমত নিয়ে পানিসম্পদ বিধিমালা তৈরি করা হয়েছে।