বিমান থেকে নামার পর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।এরপর প্রধানমন্ত্রী ভিভিআইপি টার্মিনাল লাউঞ্জে আসেন। সেখানে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা প্রথমে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
বিমানবন্দরে এরপর ১৪ দল, বিশিষ্ট নাগরিকদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। একে একে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান শিক্ষক সমাজ, ক্রীড়াবিদ, গণমাধ্যম কর্মী, শিল্পী, কবি সাহিত্যিক ও ব্যবসায়ীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, শিক্ষক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
এর আগে সকাল থেকে ঢাকঢোল বাজিয়ে বর্ণিল ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে রাস্তার দু’পাশে অবস্থান নেন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
পথে পথে সংবর্ধনা নিতে নিতে সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী গণভবনে প্রবেশ করেন। তাকে অভিবাদন জানাতে রাস্তায় মানুষের ঢল নামে। অভিবাদন জানিয়ে ফেরার সময় দেখা দেয় ভোগান্তি। হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে রাস্তায় নেমে পড়েন, এরই সঙ্গে রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকা গাড়িও ছিল। ফলে সব মিলিয়ে মানবজট ও যানজট সামলাতে পুলিশকে একটু বেগ পেতে হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে তিন সপ্তাহের সফর শেষে শনিবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী আবদুস সোবহান গোলাপ বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রোহিঙ্গাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর মানবিক আচরণের জন্য ব্রিটিশ পত্রপত্রিকা শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ আখ্যায়িত করেছে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও তাদের ফেরত নিতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার দেওয়া পাঁচ দফা প্রস্তাব বিশ্ব নেতাদের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়। এসব কারণে আওয়ামী লীগ প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করেছে।
আরও পড়ুন:
বিমানবন্দর থেকে গণভবনের পথে প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সাজ্জাদ হোসেন