রোহিঙ্গা নির্যাতন ইস্যুতে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার নিন্দার ঝড় অব্যাহত রয়েছে। এবার সংস্থাটির নারী বৈষম্য দূরীকরণ কমিটি এবং শিশু অধিকার কমিটি রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের ওপর হত্যা ও নিপীড়ন মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।
জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থা, ইউএনএইচসিআরসহ বিভিন্ন সংস্থা মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর রোহিঙ্গাদের ওপরে হামলার নিন্দা জানানোর পর সম্প্রতি এ দুটি সংস্থার বিবৃতি দেশটিকে আরও চাপে ফেলবে বলেই মনে করছেন কূটনীতিবিদরা।
গত ২৫ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর অব্যাহত হামলার কারণে রাখাইনে এখন পর্যন্ত কয়েক লাখ মানুষ গৃহহারা হয়েছে। এরমধ্যে বেশিরভাগ নারী ও শিশু। এবার এই বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়েছে জাতিসংঘের ওই কমিটি দুটি।
এ বিষয়ে গত ৪ অক্টোবর পৃথক বিবৃতিতে জাতিসংঘের অন্তর্গত কমিটি দুটি মিয়ানমারকে সহিংসতা বন্ধের জন্য অবিলম্বে আহ্বান জানানোর পাশাপাশি রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের ভাগ্যের বিষয়ে অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, মানবাধিকার লংঘন যেমন ধর্ষণ, যৌন নিপীড়নসহ বিভিন্ন অপরাধ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের শামিল।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, মিয়ানমার এ দু’টি কমিটির সদস্য হওয়ার কারণে এই বিবৃতির প্রতিক্রিয়া তাদের ঘাড়ে পড়বে।
তিনি আরও বলেন, নিরীহ জনসাধারণের ক্ষতি সাধনের জন্য সীমান্ত অঞ্চলে মাইন পুঁতে রাখার ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের জাজ্বল্যমান প্রমাণ।