রবিবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীতে ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে বিআরটিএ’র অভিযান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘তাদের নেত্রী দিনের পর দিন শুধু তারিখ দিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু দেশে আসছেন না। বিএনপির এক নম্বর যিনি, তারই তো রোহিঙ্গা ইস্যুতে কোনও উদ্বেগ আছে বলে মনে হয় না। বাকিরা এখানে বসে চেয়ারপারসনের অনুপস্থিতিতে কর্মীরাদের চাঙ্গা করার চেষ্টা করছেন।’
রাখাইনে সহিংসতা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সীমান্ত খোলা থাকবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, মানবিক কারণেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এখনও লোক আসছে। তবে পরিমাণ অনেক কম। কিভাবে জনস্রোত আসছিল সেটা সবাই দেখেছেন। তবে এখন আর সেই জনস্রোত নেই। আসতে পারে সেই আশঙ্কা জাতিসংঘ করছে। কাজেই জাতিসংঘেরই এখানে কঠোর অবস্থান নেওয়া উচিত। যাতে করে নতুন করে রোহিঙ্গার জনস্রোত সৃষ্টি না হয়। খবর বাসস।