রোহিঙ্গা সংকট: প্রধান অংশীদার হিসেবে কাজ করতে পারে ঢাকা-কুয়ালালামপুর

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বৈঠকমালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ঢাকা ও কুয়ালালামপুর প্রধান অংশীদার হিসেবে কাজ করতে পারে। রবিবার (১৫ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি একথা বলেন।

দু’দিনের সফরে রবিবার ঢাকায় আসেন আহমেদ জাহিদ হামিদি। সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় তার সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী।এ বৈঠকে উপস্থিত একজন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী বৈঠকে জানিয়েছেন, তার দেশে এক লাখ ৬০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তারাও দ্রুত এ সমস্যার সমাধান চান।

মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বৈঠকে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর বিষয়টিও আলোচিত হয়। উভয়পক্ষ জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে কিভাবে শ্রমিক পাঠানো দ্রুততর করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান, বর্তমানে মালয়েশিয়ার চাহিদা আছে এক লাখ ২০ হাজার। এরইমধ্যে ৩৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশি সেখানে গেছেন। গত কয়েক মাস থেকে প্রতিমাসে ১২ থেকে ১৩ হাজার বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

বৈঠক শেষে বেরোনোর সময় মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগামী এক মাসের মধ্যে মালয়েশিয়া কক্সবাজারে একটি ফিল্ড হাসপাতাল তৈরি করে দেবে।’

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০ দেশের জোট আসিয়ানের সদস্য হিসেবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মালয়েশিয়া কী ভূমিকা রাখবে জানতে চাইলে মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন আহমেদ জাহিদ হামিদি বৈঠকের পরে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি।’ 

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের অব্স্থা দেখার জন্য সোমবার কক্সবাজার যাচ্ছেন আহমেদ জাহিদ হামিদি।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘মালয়েশিয়ার ফিল্ড হাসপাতালে তিন লাখ মানুষকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে।’