মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পনির তেজগাঁও প্রধান কার্যালয়ে পপি খাতুনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা. এহসানুল কবির। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সেলিম, উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. নূরুল ইসলাম ও নিহত রুপার বড় ভাই হাফিজুল ইসলাম।
নিয়োগপত্র অনুযায়ী মারুফা আক্তার পপিকে এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানির অফিস সহকারী পদে এক বছরের জন্য অস্থায়ীভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসময় তার বেতন ধরা হয়েছে ১১ হাজার টাকা। সঙ্গে আনুষাঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন তিনি। এক বছর পর চাকরি স্থায়ী হলে তার বেতন হবে ২৩ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রুপা খাতুনকে চলন্ত বাসে ধর্ষণ করে পরিবহন শ্রমিকরা। পরে তাকে হত্যা করে টাঙ্গাইলের মধুপুর বন এলাকায় ফেলে রেখে যায়। পুলিশ ওই রাতেই তার লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে পরদিন বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
২৮ আগস্ট মধুপুর থানায় এসে লাশের ছবি দেখে রুপাকে শনাক্ত করেন তার ভাই। ৩১ আগস্ট রুপার লাশ তুলে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাকে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নিজ গ্রাম আসানবাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়।
পরে পুলিশ ছোঁয়া পরিবহনের বাসটির চালক হাবিবুর (৪৫), সুপারভাইজার সফর আলী (৫৫) এবং সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (১৯) গ্রেফতার করে। পুলিশের কাছে তারা রুপাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে। ১২ সেপ্টেম্বর ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সাইফুর রহমান খান রুপার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন জমা দেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, মাথায় আঘাতজনিত কারণে রুপার মৃত্যু হয় এবং মৃত্যুর আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়।