সূত্র জানায়, বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার (গ্রেড-৪) পদমর্যাদার কর্মকর্তা শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালকের অধীনে কমান্ডার ‘এভসেক’ হিসেবে এভিয়েশন সিকিউরিটির অপারেশনাল কার্যক্রম সামগ্রিক দায়িত্ব পালন করবেন। বিমানব্ন্দরে নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামগ্রিক কমান্ড ও কন্ট্রোলের দায়িত্ব পালন করবেন। স্কোয়াড্রন লিডার (গ্রেড-৫) পদমর্যাদার কর্মকর্তারা ‘কমান্ডার এভসেক’-এর প্ল্যানিং, ট্রেনিং, অপারেশনাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও লেজেস্টিক বিষয়ে সহায়তা দেবেন। বিভিন্ন শিফটে কর্মরত সদস্যদের তদারকি করবেন।
উল্লেখ্য, বিমানবন্দরে নিরাপত্তায় আগে থেকেই এভিয়েশন সিকিউরিটিতে (এভসেক) বিমান বাহিনী, পুলিশ, আনসার থেকে ২৫০ জন সদস্য রয়েছেন। এরমধ্যে শুধু বিমান বাহিনীরই বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্য রয়েছেন ৪০ জন।
সূত্র জানায়, বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের সংযুক্তির জন্য গত ১২ অক্টোবর সিভিল এভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এম নাঈম মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন।বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়েল সচিব বরাবরে পাঠানো আবেদনে বলা হয়, সিভিল এভিয়েশনের নতুন কাঠমো চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকায় বিশেষ পদগুলো শূন্য অবস্থায় আছে। বর্তমানে রেড লাইনের একজন এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ডিরেক্টর (এএসডি) পদবির কর্মকর্তা আছেন, যিনি ২০১৮ সালের মার্চে চুক্তির মেয়াদ শেষে ঢাকা ত্যাগ করবেন। এ অবস্থায় তার (এএসডি) দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার জন্য উইং কমান্ডার পদবির (গ্রেড-৪) একজন কর্মকর্তা শিগগিরই প্রয়োজন। ইতোমধ্যে অর্গানোগ্রাম অনুমোদন হলেও এ পদে অভিজ্ঞ একজনকে এই স্বল্পসময়ে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব নয়। একইভাবে ইউকে ফ্লাইট ওভারসাইট/কিউএ করার জন্য রেড লাইনের নিকট থেকে পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য দুই জন স্কোয়াড্রন লিডার পদবির (গ্রেড-৫ম) কর্মকর্তাকে এভসেকে সাময়িকভাবে সংযুক্ত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, ২০১৮ সালের মে মাসে আইকাওয়ের সিকিউরিটি অডিট টিম বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার (ইউএসএপি-সিএমএ) অডিট করবে। ফলে বিমানবন্দরের ওভারসাইট ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল মনিটর করার জন্য একজন উইং কমান্ডার (৪র্থ গ্রেড) এবং দুই জন স্কোয়াড্রন লিডার (৫ম গ্রেড) কর্মকর্তা এভসেকে সাময়িক সংযুক্তি করা প্রয়োজন।
এ প্রসঙ্গে সিভিল এভিয়েশন অথরিটির সদস্য (অপারেশন অ্যান্ড প্ল্যানিং) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য সাময়িকভাবে সংযুক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে। সিভিল এভিয়েশনের নতুন অর্গানোগ্রাম বাস্তবায়ন জন্য উদ্যোগ চলমান আছে।’
অনুমোদন প্রসঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবুল হাসনাত জিয়াউল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ইতোমধ্যে সিভিল এভিয়েশনের আবেদেন অনুযায়ী একবছরের বিমান বাহিনী থেকে কর্মকর্তা সংযুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’ শিগগিরই তাদের তারা যোগ দেবেন বলেও তিনি জানান।