পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। বুধবার (১ নভেম্বর) বিকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রণালয়ের জনসংখ্যা, শরণার্থী ও অভিবাসন বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সিমন হ্যানসের নেতৃত্বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যান তারা।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এসময় রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাজনৈতিক ও মানবিকভাবে বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য মার্কিন সরকাকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশনে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর উত্থাপন করা পাঁচ দফা প্রস্তাবনার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। এ বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে সমর্থন দিয়ে যাওয়ার জন্য বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলকে অনুরোধও করে প্রতিমন্ত্রী।

বৈঠকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে বাস্তুহীন করে দেওয়া ছয় লাখেরও বেশি মানুষকে সাময়িকভাবে আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের জনসংখ্যা, শরণার্থী ও ও অভিবাসন বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সিমন হ্যানস। তিনি বলেন, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত এ মানবিক সংকটে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব সাড়া দিয়েছে।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের সম্মানজনকভাবে নিরাপদে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বাংলাদেশের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে নিশ্চিত করেছেন সিমন হ্যানস।

বৈঠকে উপস্থিত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর অব্যাহতভাবে চাপ প্রয়োগ করে যাবেন বলেও একমত হয়েছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা এ মার্কিন প্রতিনিধি দলটি বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) ও শুক্রবার (৩ নভেম্বর) কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন স্টেট ডিপার্টমেন্টের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম বিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি স্কট বাসবাই, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি টম ভাজদা, এশিয়া বিষয়ক কার্যালয়ের পরিচালক প্যাট্রিসিয়া মাহনি এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বার্নিকাট।