এ প্রকল্প ছাড়ার একনেক সভায় আরও সাতটি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা। এরমধ্যে প্রকল্প সহায়তা আসবে ৯৫৯ কোটি ও বাকি অর্থ সরকার যোগাবে।
জানা গেছে, সাভারে ট্যানারিপল্লি স্থাপনে দীর্ঘ ১৫ বছরে সাতবার সময় বাড়ানো হয়। নির্মাণ কাজ শেষ করতে না পারায় অষ্টমবারের মতো আরও দুই বছর সময় বাড়িয়েছে একনেক। ২০১৯ সালের ১৭ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিসিক। সাভারের হরিণধরা মৌজায় ১৭৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয় ২০০৩ সালে। ২০০৫ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। মেয়াদের পাশাপাশি ব্যয় বেড়েছে ছয়গুণ। বর্তমানে এক হাজার ৭৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার এ প্রকল্প সর্বশেষ চলতি ২০১৭ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পারেনি বিসিক।
বিসিকের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে একনেক।
বিসিকের চেয়ারম্যান ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, ‘আশা করছি আর সময় বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না। তবে চলতি বছর পর্যন্ত শিল্পপার্কের কাজের আর্থিক অগ্রগতি ৫৪ শতাংশ। এরমধ্যে ৫৮৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। কাজ বাকি রয়েছে ৪৬ শতাংশ বা ৪৯৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকার কাজ। ট্যানারিপল্লিতে কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার ও ডাম্পিং ইয়ার্ড ছাড়াও কয়েকটি প্লট ৮৩ হাজার ৬৯৬ বর্গফুট অভ্যন্তরীণ রাস্তা, ১২ হাজার মিটর রাউন্ড মিটার ড্রেন ও পানি শোধনাগারের নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। এ কাজ শেষ করতে বর্ধিত সময়ের প্রয়োজন ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৭ একর জমিতে নির্মাণাধীন সাভার ট্যানারি পল্লির প্লট আছে ২০৫টি। এসব প্লটে শিল্প ইউনিট স্থাপিত হয়েছে ১৫৫টি।’