প্রকল্পের নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জুলফিকার আলী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
২০১৬ সালের ৮ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সটির ভিত্তিফলক উন্মোচন করেন। ২০১৮ সালের জুন মাসের মধ্যে ১ দশমিক ৯৪ একর জমির ওপর এ কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
‘পার্বত্য কমপ্লেক্স’ শীর্ষক প্রকল্পটি সরকারের মধ্যমেয়াদি বাজেটের অন্তর্ভুক্ত। ২০১৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেকে অনুমোদিত হয় এটি। এখানে একটি মাল্টিপারপাস হল, ডরমেটোরি, প্রশাসনিক ভবন, মিউজিয়াম, লাইব্রেরি ইত্যাদি ছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যানের বাসভবন তৈরি করা হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের সঙ্গে সমতলের মানুষের পারস্পরিক সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান সহযোগিতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন তৈরিতে কমপ্লেক্সটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে, এমন আশা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর।
স্থাপনাটি পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সামাজিক রীতি-নীতি, ভাষা, ধর্ম ও স্বতন্ত্র আচরণের দিক দিয়ে বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষকে পরিচিত করে তুলবে বলে মনে করেন বীর বাহাদুর উশৈ সিং। তার মন্তব্য, কমপ্লেক্সটি পর্যটকদের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও কৃষ্টি-সংস্কৃতির সমন্বয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন শৈল্পিক স্থাপনা হিসেবেও বিবেচিত হবে।