ওয়ানস্পপ সার্ভিস পরিদর্শনকালে রেলমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদিচ্ছায় রেলখাত এগিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ট্রেন ছাড়ার শুরুর প্রান্ত এবং শেষে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে। এতে করে যাত্রার সময় দুই ঘণ্টা কম লাগবে। যাত্রীদের হয়রানিও কমে যাবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার খুলনা-কলকাতার মধ্যে ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ ট্রেনও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন। ফলে ট্রেনযাত্রীরা স্বাচ্ছন্দে ঢাকা-কলকাতা এবং খুলনা-কলকাতা রুটে আসা যাওয়া করতে পারবেন।’
মন্ত্রী পরে যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেন, রেলপথ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং কাস্টমসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মৈত্রী ট্রেন বর্তমানে সপ্তাহে ছয় দিন ঢাকা-কলকাতার মধ্যে চলাচল করছে। বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক বন্ধ। রেলওয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘এন্ড টু এন্ড ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস সার্ভিস’ চালুর প্রথম দিনেই ট্রেনের ৪৫৬টি আসনের সবগুলোই বিক্রি হয়েছে। সূত্র: বাসস।
আরও পড়ুন- দুই প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে খুলনা-কলকাতা রেল চালু