তিনি বলেন, ‘অসহায় রোহিঙ্গাদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিতে আমাদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩২টি এবং দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে আরও ৭২টি মেডিক্যাল টিম কাজ করছে।’
এছাড়া, নতুন করে আসা রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে ডায়রিয়া থেকে বাঁচাতে কলেরার টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এ পর্যন্ত সাড়ে ছয় লাখ শিশুকে এ টিকা দেওয়া হয়েছে।
রোহিঙ্গাদের জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়িসহ অন্যান্য জন্ম নিরোধক সরঞ্জাম সরবারাহের পাশাপাশি তাদের পরিবারের আকার ছোট রাখতে এবং সংক্রামক যৌনরোগের প্রাদুর্ভাব রোধকল্পে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
নাসিম বলেন, ‘আমরা এরইমধ্যে রোহিঙ্গাদের মাঝে সংক্রামক যৌনরোগ ও জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে বেশ কয়েকটি মেডিক্যাল টিম নিয়োজিত করেছি এবং তাদের জন্ম নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম সরবরাহ করেছি।’
তিনি বলেন, সরকারের রোগ পর্যবেক্ষণ সংস্থা রোগতত্ত্ব , রোগ নিরাময় ও গবেষণা কেন্দ্র (আইইডিসিআর) তাদের মাঝে হাম ও পোলিওর টিকা এবং ভিটামিন বিতরণ করেছে।
কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. আবদুল সালামকে বলেন, রোহিঙ্গারা সাধারণত ডায়রিয়া, গলার ইনফেকশন, নিউমোনিয়া, চর্মরোগে এবং দূষিত পানি পান করার কারণে জ্বরের সমস্যায় ভুগেছে। এছাড়া গর্ভবতী নারী ও উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য দীর্ঘ মেয়াদি রোগে ভুগছে এমন লোকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) হিসাব অনুযায়ী, ৪ নভেম্বর পর্যন্ত আট লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা এদেশে এসেছে। খবর বাসস।