মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে জিডিপি’র আকার ২৪ হাজার ৯৬৮ কোটি ডলার। তবে এর আকার ১০ হাজার কোটি ডলার ছাড়াতে স্বাধীনতার পর ৩৪ বছর লেগেছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ, ইথিওপিয়া ও কম্বোডিয়া— কেবল এই তিনটি দেশেই পরপর দু’বছর জিডিপি প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশের বেশি হলো।’ জিডিপির প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশ ছাড়ানোর পেছনে দেশের কৃষক, শ্রমিক, বেসরকারি খাতসহ সবার অবদান আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাংবাদিকদের পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে আমরা ৬-এর বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসেছি। পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২০ সালে প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশে পৌঁছানোর কথা। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, ২০১৯ সালেই এটাকে আমরা ৮ শতাংশে নিয়ে যেতে পারবো।’
মন্ত্রী জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো— ২০৩০ সালের মধ্যে প্রবৃদ্ধিকে ৯ শতাংশে নিয়ে যাওয়া। তা হলে ২০৪১ সাল নাগাদ দেশকে উন্নত বিশ্বের কাতারে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এবারই প্রথমবারের মতো দেশে জিডিপি’র অনুপাতে বিনিয়োগ ৩০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। গত অর্থবছরে জিডিপি’র ৩০ দশমিক ৫১ শতাংশ বিনিয়োগ হয়েছে। এরও আগের বছর এই হার ছিল ২৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
বিবিএসের হিসাবে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৯৭ শতাংশ, শিল্প খাতে ১০ দশমিক ২২ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিবিএসের চূড়ান্ত হিসাবে প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ১১ শতাংশ। বাসস।
আরও পড়ুন-
অনুমোদন পেলো শেখ হাসিনা সেনানিবাস প্রকল্প
ইউনেস্কোর স্বীকৃতিতে বিশ্বের মানুষ ৭ মার্চের ভাষণ হৃদয়ে ধারণ করছে: কাজী নাবিল