বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। আইন দুটির বিষয়ে এখন আর কারও কোনও আপত্তি নেই। বাংলাদেশের স্বার্থ সমুন্নত রেখেই শ্রম আইনে সংশোধনী আনা হচ্ছে।’
শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করতে দেওয়ার বিষয়ে এ দুই মন্ত্রী বলেন, ‘ওয়ার্কার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনই ট্রেড ইউনিয়নের কাজ করবে। সেই বিধান রেখেই আইন করা হচ্ছে।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আজই সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে তার সম্মতি নেওয়া হবে। পরে খসড়া দুটি যাবে আইএলও কার্যালয়ে। আশা করছি, সংসদের আগামী শীতকালীন অধিবেশনে নতুন আইনগুলো পাস করা হবে।’
এ দুটি আইন নিয়ে আর কোনও দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই বলে উল্লেখ করেছেন আনিসুল হক। তার ভাষ্য, ‘যেসব ধারা সংশোধন করলে বাংলাদেশের ভালো হবে সেগুলো আমরা করেছি। যেগুলো অকল্যাণকর তা আইন থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।’
বৈঠকে আরও ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম, আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগের সচিব শহিদুল হক, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আফরোজা খান, বিকেএমইএ সভাপতি সেলিম ওসমান, বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, আইএলও প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা।