রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে দলে দলে আসছে। মিরপুর রোডের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার দুই পাশে তাদেরকে ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। শোভাযাত্রার জন্য হাতি আনা হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ট্রাকগুলো ফুল, ব্যানার দিয়ে সাজানো হয়েছে।
দাউপিয়া হামিদিয়া সুন্নিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিখানার ছাত্র এনামুল হক বিজয় বলেন, ‘৭ মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ায় আজকে শোভাযাত্রায় অংশ নিতে আমরা ৩২ নম্বরে এসেছি। আমাদের সঙ্গে আমাদের হুজুরও এসেছেন।’
শোভাযাত্রায় অংশ নিতে এসেছেন রেডক্রিসেন্ট অ্যান্ড হলি ফ্যামিলির কর্মকর্তা বজলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আমরা সাতবন্ধু মিলে সোহরাওয়ার্দীতে বসেই শুনেছি। আমাদের এক বন্ধু মারা গেছেন। বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ আমাদের জীবনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। তার এই ভাষণ স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা আনন্দিত। এই স্বীকৃতি বাংলাদেশকে অন্যতম উচ্চতায় নিয়ে গেছে।’
পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী হাফিজা বেগম বলেন, ‘শনিবার আমাদের এমনিতেই ছুটি থাকে। তারপরও শনিবারের প্রোগ্রামে আসতে বলা হয়েছে। আনন্দ সহকারে আমরা সবাই এসেছি শোভাযাত্রায় অংশ নিতে। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ মানুষের মুক্তির প্রেরণা জোগায়।’
দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে এই কর্মসূচি উদযাপনের জন্য র্যাব, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্কাবস্থায় থাকবে। এদিকে সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়।
উল্লেখ্য,গত ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
আরও পড়ুন:
সোহরাওয়ার্দীতে আজ জনসভা, যে রাস্তাগুলো এড়ালে ভোগান্তি কমবে