সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের চেয়ারম্যান কে এম সফিউল্লাহ বলেন, ‘১৩ বছর ধরে আমরা ১ ডিসেম্বরকে মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসেবে উদযাপনের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানাচ্ছি। কিন্তু এখনও দাবি আদায় হয়নি। তবে আমরাও ছেড়ে দেবার নই।’
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের এখনও যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হচ্ছে না। তাদেরকে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে,কিছু আয়োজনে অতিথি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু এটা সম্মান জানানোর যথাযথ উপায় নয়।’
এ সময় সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সদস্যরা শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এর আগে ফোরামের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ পাটোয়ারী ১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দিবস ঘোষণাসহ ২০ দফা দাবি উত্থাপন করেন। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে- গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত পাকিস্তানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া, তৎকালীন প্রশাসন ও সেনা সদস্যদের আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বিচারের সম্মুখীন করা, পাকিস্তানের কাছে পাওনা অর্থ আদায়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার পাশাপাশি রাজনীতিতে তাদের পরিবার ও পরবর্তী প্রজন্মের অধিকার রহিত করতে আইন প্রণয়ন, জাতীয় নীতিমালার ভিত্তিতে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা প্রণয়ন করে মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের রাষ্ট্রীয় সম্মান, অর্থনৈতিক-সামাজিক নিরাপত্তা প্রদান, মুক্তিযোদ্ধাকে মাসিক ২০ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা প্রদান করাসহ বিশেষ ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান ইত্যাদি।
প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ১২ জানুয়ারি পল্টনে এক মহাসমাবেশ করার পর ওই বছর থেকেই সারাদেশে ১ ডিসেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম।