সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এ হিসেবে আগামী ২ মার্চের মধ্যেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আশা করছি নির্বাচিত নতুন মেয়র তার (আনিসুল হক) মতোই উদ্যোমী হবেন। তিনি উনার মতোই কার করবেন। যদি নতুন মেয়র কোথাও কোনও কাজে আটকে যান বা বাধাগ্রস্ত হন তবে মন্ত্রণালয় তাকে সহায়তা করবে।’
গত রবিবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মেজবাহ উদ্দীন জানিয়েছিলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের আইন অনুযায়ী ডিএনসিসি’র মেয়র পদ শূন্য ঘোষণার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আসন শূন্য ঘোষণা করার একটি আইনসম্মত প্রক্রিয়া এবং বিধান রয়েছে। শূন্য ঘোষণা করার পর এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করবে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন।’
একইদিন ডিএনসিসি মেয়রের আসন শূন্য ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ। তিনি জানিয়েছিলেন, ডিএনসিসির উপনির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, লন্ডনে সাড়ে চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে (লন্ডন সময় বিকাল ৪টা ২৩ মিনিট) লন্ডনের ওয়েলিংটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যু হয়। ফলে ডিএনসিসির মেয়র পদ শূন্য হয়।
২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকা দক্ষিণে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আনিসুল হক এবং চট্টগ্রামে আ জ ম নাছির উদ্দীন মেয়র নির্বাচিত হন। এর আগে ২০১১ সালের নভেম্বরে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়। রংপুরে প্রতীক পেয়েই প্রচারণায় প্রার্থীরাতবে সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন না হওয়ায় তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রশাসক নিয়োগ করে উভয় সিটি করপোরেশনের কাজ পরিচালিত হয়েছিল।