সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি এ বছরের মার্চে জাকার্তা সফর করেছেন। সেসময় তিনি ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ঢাকা আসবেন।
ওই সূত্র জানিয়েছে, আসিয়ানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে যাতে করে তাদের সর্বাত্মক সহায়তা পাওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘ থার্ড কমিটিতে এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে ইন্দোনেশিয়া মিয়ানমারের বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল। আমরা আশা করি, ইন্দোনেশিয়া তার এই সহযোগিতা অব্যহত রাখবে।’
দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক অনুযায়ী বাণিজ্যের পরিমাণ কম বলে জানিয়েছেন আরেকজন কর্মকর্তা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ইন্দোনেশিয়ায় বাংলাদেশ রফতানি করেছে ৩৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। আর আমদানি করেছে এক হাজার ২৩৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।
ইন্দোনেশিয়া একটি বৃহৎ কয়লা রফতানি কারক দেশ। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এই কারণে বাংলাদেশের জ্বালানি ক্ষেত্রে ইন্দোনেশিয়া গুরুত্বপূর্ণ।’