সোয়া দুই কোটি শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে

ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনজাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন (দ্বিতীয় রাউন্ড) এর অংশ হিসেবে দেশের দুই কোটি ২১ লাখ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। অন্ধত্ব ও মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানোর লক্ষ্যে শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সারাদেশে এই ক্যাম্পেইন পালন করা হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ১টি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ১৫ মাস বয়ী শিশুকে ১টি লাল রঙের উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টার মধ্যে সারা দেশে এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী ও ২০ হাজার অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ান। বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, বিমানবন্দর, রেল স্টেশন, খেয়াঘাট ইত্যাদি স্থানে ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র স্থাপন করে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ানো হয়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশে বর্তমানে বিটামিন এ’র অভাবে অন্ধত্বে ভুগছে এমন শিশুর হার এক শতাংশেরও কম। অথচ ১৯৭৪ সালে এ হার ছিল ৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ। সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় দেশে অন্ধত্বের হার কমে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান ভিটামিন এ-এর অভাবে শুধু অন্ধত্বই হয় না, এতে অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ১৯৭৩ সাল থেকে জাতীয়ভাবে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন করা হয়। সরকারের স্বাস্থ্য নীতিমালা অনুযায়ী, বছরে দুই বার ভিটামিন ‘এ’-এর অভাব পূরণে সম্পূরক খাদ্য হিসেবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সূত্র: বাসস।