রাষ্ট্রপতি বলেন,‘কারিকুলাম ভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি মুক্ত চিন্তা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা, জাতি গঠনমূলক কর্মকাণ্ড, সমকালীন ভাবনা এবং সাংস্কৃতিক চর্চাসহ খেলাধুলা ইত্যাদি সৃজনশীল কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও পরিপূর্ণ করে তোলে।’
ইবির বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মো.সরওয়ার মোর্শেদ ও আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরমিন খাতুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সমাবর্তনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান।
এবারের সমাবর্তন বক্তা হিসেবে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো.হারুন-উর-রশিদ আসকারী।
এসময় রাষ্ট্রপতির পত্নী এবং তার মেয়ে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও ঝিনাইদহ ১ আসনের সাংসদ আব্দুল হাইসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, এবারের সমাবর্তনে ১ হাজার ৬৩৭ জন স্নাতক, ৭ হাজার ৪৮৮ জন স্নাতকোত্তর, ১৩৭ জন এমফিল ও ১১০ জন পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের মূল সনদ প্রদান করা হয়। সর্বমোট ৯ হাজার ৩৭২ জনকে সমাবর্তনে সনদ প্রদান করা হয়।