সোমবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টার দিকে দুদক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, ‘দুদকের ভূমিকা একটাই। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই— যারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায়, তাদের সম্পত্তির সঠিক হিসাব দিতে হবে। আমরা দুয়েকজন সংসদ সদস্যের সম্পত্তির সঠিক হিসাব পাইনি। তবে আমরা চাই, যারা জনগণের প্রতিনিধি হবেন, তারা সঠিকভাবে নির্বাচন কমিশনে সম্পত্তির হিসাব দেবেন।’
স্বপ্রণোদিত হয়ে দুদক কোনও ব্যবস্থা নেবে কিনা জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘না, এমন কোনও ব্যবস্থা আমরা নেবো না। আমাদের চোখের সামনে কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে তখন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।’ তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনে দুয়েকজন সংসদ সদস্যের বিষয়ে চিঠি দিয়েছি। কিন্তু নির্বাচন কমিশন দৃশ্যমান কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। সেটি নিয়ে আমাদের কিছু করার নেই।’
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের স্ত্রীরাও আসামি হয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘এমন প্রায় ১০টি মামলা আছে, যেখানে দুর্নীতিবাজদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রীরাও আসামি। তবে স্ত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারা দাবি করেন, তারা কিছুই জানেন না। এটি আসলে একটি সামাজিক ব্যাধি। এর প্রতিরোধে আমরা ক্যাম্পেইন করব, যেন স্ত্রীদের নামে কোনও অবৈধ সম্পত্তি রাখা না যায়।’