মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিইসি এসব কথা বলেন।
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে সিইসি নূরুল হুদা বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে আপসহীন ও দৃঢ়চিত্ত। কোনও কিছুর সঙ্গে, কারও সঙ্গে আমরা আপস করব না। আমাদের কারও সঙ্গে কোনও সমঝোতা হবে না।’
নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণার সমান সুযোগ প্রসঙ্গে নূরুল হুদা বলেন, ‘নির্বাচনে যাদের প্রচার-প্রচারণার সুযোগ রয়েছে, তারা সবাই প্রচারে অংশ নিতে পারবেন। এ বিষয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে কারও প্রতি কোনও বাধা নেই। যারা প্রচারণায় অংশ নেবেন, তাদের সবাইকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলব।’
ডিএনসিসির উপনির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে সম্ভাব্য অনেক প্রার্থী প্রচারণায় নেমেছেন, এলাকায় এলাকায় ব্যানার-পোস্টার লাগাচ্ছেন। তাদের ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে— জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর এভাবে কারও প্রচারণার সুযোগ নেই। রিটার্নিং কর্মকর্তারা এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেবেন।’
নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের ব্যবহার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমরা দুই সিটি করপোরেশনের দু’টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহারের চিন্তা করছি। এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আর কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করব।’
সিটি করপোরেশন নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আশা জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘সবাই নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। আমি সবাইকে আহ্বান জানাবো, সবাই ভোটকেন্দ্রে আসুন, ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।’
সিইসি জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসি’র যুগ্ম সচিব আবুল কাশেম এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মণ্ডল রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য কমিশনার, কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও দুই সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন-
২৬ ফেব্রুয়ারি ডিএনসিসি'র উপ-নির্বাচন