বুধবার (১০ জানুয়ারি) এ মামলার রায় ঘোষণার পর দুই পক্ষের আইনজীবীরা এভাবে প্রতিক্রিয়া জানান। মামলার প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন বলেন, ‘আসামিদের দণ্ড দিয়ে ট্রাইব্যুনাল যে সাজা ঘোষণা করেছেন তাতে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি। তবে এ মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পেলে সরকারকে অবহিত করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।’
আসামিপক্ষের কনিষ্ঠ আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭২ সালে একাধিক মামলা হয়। কিন্তু সেখানে আসামি ইউনুছ আহমদের নাম ছিল না। তবে ওই এলাকায় ইউনুছ নামে আরেক রাজাকার ছিল। এই মামলায় রাজনৈতিকভাবে সেই রাজাকার ইউনুছকে না এনে আমার মক্কেলকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আসামিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিকিউশন কোনও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। তবুও ট্রাইব্যুনাল আজ আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দিয়েছেন। এই রায়ে আমরা আসামিপক্ষ সংক্ষুব্ধ। আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো।’
আরও পড়ুন- একাত্তরে গণহত্যা: দুই জনের মৃত্যুদণ্ড, তিন জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড