বঙ্গবন্ধু পরিষদ ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের জেলে ফাঁসি দিয়ে অনেকবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। তাকে যে সেলে রাখা হয়েছিল সেখান থেকে জানালা দিয়ে দেখা যেত কবর খোঁড়া হচ্ছে। এসব করা হতো তাকে চাপে ফেলার জন্য। কিন্তু তিনি কোনও দিন কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করেননি।
বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু ফিরে এসে অর্থবহভাবে দেশ পরিচালনা করেছিলেন। তাকে যদি আলোকবর্তিকা হিসেবে গ্রহণ করা হয় তাহলে দেশ এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খন্দকার ইব্রাহীম খালেদ বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ছিলেন পাকিস্তান মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের সদস্য। নিজের অবস্থান ধরে রাখতে তাকে মুক্তিযুদ্ধে অভিনয় করতে হয়েছিল। খন্দকার মোশতাক ছিলেন আওয়ামী লীগের মীরজাফর। ভারত পাশে ছিল বলেই আজ আমরা বাংলাদেশে আছি। নইলে বাংলাস্তান হয়ে যেতো।’
তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করা।’
আলোচনা সভায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি সারওয়ার জাহান বাদশা, পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এস এ মালেকসহ পরিষদের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।