শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ঘুষ দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু হয়েছে: দুদক চেয়ারম্যান

দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ (ফাইল ছবি)শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই অনুসন্ধান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয় নয়, যেকোনও মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি অনুসন্ধান বা তদন্ত করবে দুদক।’

মঙ্গলবার দুপুরে দুদক কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কয়েকটি সংগঠনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই উপলক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘সম্মিলিতভাবে কাজ করলে আমরা অভীষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।’

শহর ও গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। সার্টিফিকেট বা জিপিএ-৫ দিয়ে যে কিছু হয় না এটা স্বীকার করতেই হবে। তবে যারা দক্ষতা ও মূল্যবোধের চর্চা করতে পেরেছেন তারাই সাফল্য পাচ্ছেন।’

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদ সঠিকভাবেই কাজ করছে। সম্প্রতি ব্যাংকিং খাত নিয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বক্তব্যের বিষয়ে আমার কোনও বক্তব্য নেই। তবে আমাদের কাছে আসা তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, ২০১৭ সালে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন শুরু হয়েছে। ২০১৭ সালেই বেসিক ব্যাংক থেকে যেসব হিসাবের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে সেসব হিসাবে বেশকিছু নগদ অর্থ জমা হয়েছে। বেশকিছু ঋণ পুণঃতফসিল হয়েছে। ২০১৭ সালে ঋণ জালিয়াতির যেসব ঘটনায় মামলা হয়েছে সেসব অভিযোগ আগের বছরগুলোর। তাছাড়া ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদও পুনর্গঠন করা হয়েছে।’

সমঝোতা চুক্তি সই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- দুদক কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম, কাইট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. অনন্য রায়হান, সিএলপি-ইউএসএ’র সভাপতি ড. মোহাম্মদ ফারুক প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ তিন জনের ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন