মিয়া সেপ্পো বলেন, ‘কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ণ ও ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ও সাধারণ জনগণ যেভাবে একসঙ্গে কাজ করেছে তা সিভিল-মিলিটারি কো-অপারেশনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।’
আমির হোসেন আমুর মন্তব্য, বাংলাদেশ মানবিক কারণে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছে। তবে তাদের দ্রুত নিজেদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিতে হবে মিয়ানমারকে। এ লক্ষ্যে জাতিসংঘের ভূমিকা আরও জোরদারের পরামর্শ দেন তিনি।
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা তুলে ধরেন শিল্পমন্ত্রী। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের দমনে সক্ষম হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ হিসেবে জলবায়ুর পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ও সবুজ শিল্পায়নের ধারা জোরদারে জাতিসংঘের সহায়তা কামনা করেন শিল্পমন্ত্রী। এক্ষেত্রে জাতিসংঘের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান মিয়া সেপ্পো।
সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা ইস্যু, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, নারীদের নিরাপত্তা উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় আরও ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. এনামুল হক ও বেগম পরাগ।