তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে আমাদের দেশে রোহিঙ্গারা আসছে। তাদের ফেরত পাঠাতে আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করছি। তাদের থাকার জন্য অস্থায়ীভাবে নোয়াখালীর ভাসানচরে ব্যবস্থা করছি। তারা চলে গেলে আমাদের দেশের মানুষের জন্য ওই জায়গা ব্যবহার করতে পারবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় জনগণের কথা চিন্তা করেই যা যা করণীয় সব করে যাচ্ছি। আমরা ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়তে চাই। আজ ৯০ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, দুই বছরের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের শর্ত রেখে গত ১৬ জানুয়ারি ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট চুক্তি সই করে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোতে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শেষে এ চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক এবং মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থো নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার এবং ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর থেকে ৬ লাখ ৮০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। আর এর আগে থেকেই চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছিল। অর্থাৎ ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছে।