২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে পরে জ্বালাও-পোড়াওয়ের ঘটনা তুলে ধরে মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনের আগেও বিএনপির চেয়ারপারসন ও তার দল সন্ত্রাস করেছে। তাদের গণতন্ত্র হচ্ছে রাজাকার-খুনি-জঙ্গিদের গণতন্ত্র।’ তিনি বলেন, ‘‘আমি এখন ‘ইনক্লুসিভ ইলেকশন’ এই শব্দটা খুব বেশি শুনতে পাচ্ছি। ইনক্লুসিভনেস কী? জীবন আর মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার নাম ইনক্লুসিভনেস? আমরা অনবরত জানাজা পড়ার গণতন্ত্র চাই?’’
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তাদের দুই সন্তানের সমালোচনা করে মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘নিরাসক্ত দৃষ্টিতে বিচার করলে দেখা যাবে, এই পরিবারটি শুধু গণতন্ত্রের শত্রু নয়, তারা দেশের সম্পদ লুট ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত।’ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন, ‘একটা শ্রেণি সরকারের উন্নয়ন কাজ দেখে না।’
অন্যদের মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন, সাংসদ সিমিন হোসেন রিমি, রিফাত আমিন আলোচনায় অংশ নেন।