তারানা হালিম বলেন, ‘মাদক শুধু মানুষের নিজের জীবন নয়, পারিবারিক জীবনকেও ধ্বংস করে দেয়। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে গোটা জাতির ওপর। বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত, এমনকি কর্মক্ষেত্রগুলোও মাদকের প্রভাবমুক্ত রাখতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কোনও বিকল্প নেই।’
তথ্য মন্ত্রণালয়ের সব সংস্থা, গণমাধ্যম ও সুরক্ষা সেবা বিভাগ এক্ষেত্রে একযোগে কাজ করবে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। সব জেলা তথ্য অফিসারদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে সর্বত্র মাদকবিরোধী তথ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে ব্যাপক গণসচেতনতা গড়ে তোলার নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় আরও অংশ নেন সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী, তথ্য সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা কামরুন নাহার, বিটিভি’র মহাপরিচালক এস এম হারুন-অর-রশীদ, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক নারায়ণ চন্দ্র শীল, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ, কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীনসহ তথ্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।