জলাভূমির উন্নয়নে সরকার আন্তরিক: আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (ফাইল ছবি)জলাভূমির উন্নয়ন ও নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জলাভূমি ও নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার আন্তরিকভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ নদী ও জলাভূমিগুলো আমাদের পরিবেশ ও অর্থনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। কাজেই আমাদের পরিবেশ ও অর্থনীতির উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্যও এগুলোকে আমাদের দূষণমুক্ত করা উচিত।’
বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটি অব আইইউসিএন আয়োজিত এক সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানএ বিষয়টি (জলাভূমির উন্নয়ন ও নদী দূষণ রোধ) সময়ে আমরা সবাই জানি। কিন্তু সাধারণ জনগণের মধ্যে বিষয়টি সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন। সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠনগুলো এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।’
আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘বর্তমান সরকার এ বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক। আমরা আমাদের নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করে পরিবেশ উন্নয়নে কাজ শুরু করেছি। যেসব নদী দূষণের শিকার হচ্ছে, সেই নদীগুলোর পাড়ে ব্যাপক আকারে ইটিপি স্থাপন করা যায় কিনা, সে বিষয়টি নিয়েও আমরা ভাবছি। আশা করি, আমাদের এ চিন্তার প্রতিফলন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের কাজে আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হবো।’
বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর উদাহরণ দিয়ে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘একসময় জার্মানির রাইন ও ইংল্যান্ডের টেমস নদীও দূষণের শিকার হয়েছিল। সেখানে এখন অবস্থার এত উন্নতি হয়েছে যে ওই নদীগুলোর পানি পান করা যায়। আমরাও সেভাবে পদক্ষেপ নেবো। এ অবস্থার উন্নতির জন্য অনেক সময়ের প্রয়োজন হলেও এই কাজ অসাধ্য নয়।’
বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটি অব আইইউসিএন মেম্বারর্সের চেয়ার হাসনা জসিমউদ্দীন মওদুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইইউসিএন’র ভাইস চেয়ার ড. নিলুফার বানু। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মো. মোখলেসুর রহমান ও ড. আবদুর রব মোল্লা।