বৈঠকের বরাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব নজরুল ইসলাম জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বিশেষ করে নারী ও শিশুদের দুঃখ-দুর্দশা সম্পর্কে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলকে অবহিত করেন। প্রথানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ মানবিক কারণে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আগত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু কক্সবাজারে এত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার উপস্থিতি স্থানীয় জনগণের জন্য ভোগান্তি সৃষ্টি করছে। স্থানীয় জনগণের খাদ্য এবং আবাদি জমির ওপরও তাদের অবস্থান চাপ সৃষ্টি করছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই শরণার্থীদের মধ্যে কেউ যেন আবার সন্ত্রাসের পথে চলে না যায় সেজন্য সরকার জনগণের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থেই তাদের নোয়াখালীর একটি দ্বীপে স্থানান্তরের পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে দেশে আশ্রয় নেওয়া এক লাখ রোহিঙ্গাকে সেখানে স্থানান্তর করা হবে এবং সে বিষয়ে কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।
বৈঠকে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে তিনি তার কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর নিয়ে একটি প্রতিবেদন পেশ করবেন।
জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে দেশে নারীর ক্ষমতায়নে গৃহীত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সূত্র: বাসস।