অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে বইয়ের পাঠক সংখ্যা বেড়েছে। এর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই পাঠকদের কথা বিবেচনা করে আমরা পুরনো লাইব্রেরিগুলো সংস্কার করার নির্দেশনা দিয়েছি। ভালো পাঠক বাড়ানোর ক্ষেত্রে কিছু লেখকের অবদান অনেক বেশি। প্রাচীন যুগ থেকে এ দেশে লাইব্রেরি গড়ে উঠেছে। এ দেশের লাইব্রেরিগুলোর ইতিহাস আমি নিজেই পর্যালোচনা করে দেখেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যে বাজেট দিয়েছি, তা দিয়ে তারা শুধু পাঠ্যবই কিনতেন। তাই এখন সৃজনশীল বইয়ের সংখ্যা বাড়াতে আমরা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের হাতে কিছু বাজেট দিয়েছি। যাতে দেশে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সৃজনশীল বইয়ের প্রতি পাঠকদের আগ্রহ বাড়ে।’
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন রিমি, গণগ্রন্থাগার অধিদফতরের মহাপরিচালক আশীষ কুমার সরকার ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইব্রাহিম হোসেন খান প্রমুখ।
বক্তব্যে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘দিবস পেলে আমাদের সবার মধ্যে শক্তি আসে। কারণ, বাবা পৃথিবীতে বহুকাল ধরে আছে, কিন্তু একটি পিতৃ দিবসে তাকে ছেলেমেয়ে স্মরণ করবে। তেমনিভাবে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবসে পাঠকেরা লাইব্রেরিকে স্মরণ করবে। এছাড়াও এই দিবসের মাধ্যমে সবাই একত্রিত হওয়ার সুযোগ পায়, ফলে একে অন্যের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে জ্ঞানার্জন করা যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘বই মানুষকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করে। এটাই হলো মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের মূল কারণ। একটি লাইব্রেরি পারে মানুষকে পাল্টে দিতে। তেমনিভাবে একজন পরিবর্তনশীল মানুষও পারে পুরো জাতিকে পরিবর্তন করে দিতে। বই হচ্ছে সেটাই, যা একজন মানুষকে তার নিজ অবস্থান থেকেও অনেক বেশি বড় করে।’