মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈদেশিক কর্মসংস্থানকে সম্ভবনাময় খাত ঘোষণা করায় সরকার বিদেশে শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ বছরে ২৪ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জনের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। পরের চার বছর, অর্থাৎ ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বৈদেশিক কর্মসংস্থান ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এসময়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থান হয় ২৭ লাখ ৪৭ হাজার ৮২১ জন শ্রমিকের।
এর আগে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বাসসকে বলেন, গত বছর ১০ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে বিদেশে। এ বছর আরও ১১ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করছে সরকার। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কূটনীতির ফলে বর্তমান সরকার ১৬৫টি দেশে শ্রমিক পাঠাতে পেরেছে। এছাড়া, সারাবিশ্বে নতুন শ্রমবাজার তৈরির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সরকার দক্ষ শ্রমিক তৈরিতে জেলা সদরগুলোতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও চালু করেছে।
শ্রম কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’র মহাপরিচালক সেলিম রেজা বলেন, এ বছর ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৯৮ হাজার ৭৫ জন শ্রমিকের বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে। বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে সরকার এরই মধ্যে অভিবাসন ব্যয় কমানোসহ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে বলেই প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বাসস।