স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতার খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে দণ্ড কার্যকরে ইতোমধ্যে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে খুনিদের ছবি সংবলিত তথ্য পাঠানো হয়েছে। এর মাধ্যমে তাদের অবস্থান চিহ্নিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পলাতক আসামিদের মধ্যে লে. ক. (অব.) খন্দকার আবদুর রশিদের মালিকানাধীন ১৬ দশমিক ৯৪২৫ একর ও রাশেদ চৌধুরীর এক দশমিক ১৫ একর ভূমি বাজেয়াপ্ত করে খাস খতিয়ানভুক্ত করা হয়েছে।’
সরকারি দলের সংসদ সদস্য এম এ মালেকের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে দু’টি দেশের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তি রয়েছে। দেশ দু’টি হচ্ছে ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।’
ক্ষমতাসীন দলের সদস্য আবুল কালাম আজাদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত ১৭ হাজার ২৮৯টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ভিকটিমের সংখ্যা ১৭ হাজার ৩৮৯ জন। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৮৬১ জন নারী ও তিন হাজার ৫২৮জন শিশু। এ সময় তিন হাজার ৪৩০টি ধর্ষণ মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় ১৭ জনকে মৃতুদণ্ড, ৮০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫৭৬জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাসহ ৬৭৩জনকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।’
সরকারি দলের সদস্য আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘দেশের কারাগাগুলোয় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির সংখ্যা ১৫ হাজার ৯১৯জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৫ হাজার ৩৭৪জন ও মহিলা ৫৪৫ জন।’