এছাড়া খাল ভরাট কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না,তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। ভূমি মন্ত্রণালয় সচিব, পরিবেশ মন্ত্রণালয় সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয় সচিব, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ১৩ বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কেএম আমিন উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সাইদ আহমেদ কবির সৌরভ।
গত বছরের ২০ ডিসেম্বর মেঘনা নদী থেকে বালি উত্তোলন করে পার্শ্ববর্তী দিয়ারা মেরিখালী খাল ভরাট বন্ধ করতে পরিবেশ অধিদফতর থেকে আল মোস্তফা গ্রুপকে নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও খাল ভরাট বন্ধ না হওয়ায় হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) পক্ষে এই রিট দায়ের করা হয়। সেই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারিসহ কয়েকটি আদেশ দেন।
পরে সাইদ আহমেদ কবির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রিটের শুনানি নিয়ে আদালত খাল ভরাটের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। একইসঙ্গে রুল জারি করেছেন। পরে আল মোস্তফা গ্রুপকে ওই খাল ভরাট বন্ধ রাখতে এবং খালটি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আদালত তার অন্য আদেশে সোনারগাঁও থানার ওসিকে ওই খাল ভরাট বন্ধের বিষয়টি মনিটরিং করে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন আগামী তিন মাসের মধ্যে এফিডেভিট আকারে আদালতে দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন।