বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে রফিকুল ইসলাম খাঁন এই অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জ সদর-সাটুরিয়া নির্বাচনি এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রচার ও নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য গণসংযোগ করতে গেলে ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী আমাকে শারীরিক নির্যাতন করে। এ সময় সঙ্গে থাকা দুই লাখ ২০ হাজার টাকা, জাতীয় পরিচয়পত্র, দুটি মোবাইল ফোন সেট ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সন্ত্রসীরা আমাকে মানিকগঞ্জের গড়পাড়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে নিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে বলে, টাকা-পয়সা নেওয়ার কথা কাউকে বললে তল্লা ব্রিজের নিচে লাশ ফেলে দেবো।’
একাদশ সংসদ নির্বাচনে যাতে দলীয় মনোনয়ন না চান সেজন্য নির্যাতন করা হয়েছে উল্লেখ করে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক। আগামী সংসদ নির্বাচনে আমি নির্বাচন করতে ইচ্ছুক। এজন্য স্থানীয়দের রোষানলে পড়েছি।’
ওইদিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নির্বাচনি এলাকা থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন তিনি। পথে সাটুরিয়া ও ঢাকার ধামরাইয়ের সীমানাসংলগ্ন পাতিলাপাড়ায় বেশ কিছু মোটরসাইকেল আরোহী ব্যারিকেড দিয়ে তার প্রাইভেটকারটি থামায়। এরপর তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে সাটুরিয়া উপজেলার ডাকবাংলোতে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় তাকে বেধড়ক মারধর করে কয়েকজন যুবক। কেড়ে নেওয়া হয় তার মোবাইল ফোন ও টাকা-পয়সা। পরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় গড়পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনের মাঠে। সেখানে আসেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম আপেল ও মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফসার উদ্দিন সরকার। তাদের সামনেও তাকে মারধর করা হয়।