রোহিঙ্গা নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

লিসা কার্টিস

রোহিঙ্গাদের উপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের প্রমাণাদি সংগ্রহ করছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার রাতে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের সাথে স্থানীয় একটি হোটেলে বৈঠকের পরে একথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপ-সহকারী ও জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের জ্যেষ্ঠ পরিচালক লিসা কার্টিস।

লিসা কার্টিস বলেন, ‘গত ছয়মাস ধরে প্রকৃতভাবে কি ঘটেছে আমরা সেটির প্রামাণ্য দলিল সংগ্রহ করছি। যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শাস্থিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় সে বিষয়টি আমরা বিবেচনা করছি।’

লিসা কার্টিস ঢাকায় আসার পরপরই কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যান। সীমান্তে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র এবং এজন্য তারা মিয়ানমারের উপর চাপ অব্যাহত রাখবে। এছাড়া, বাংলাদেশের রাজনীতি ও সুশাসন বিষয়ে জানতে চান বলে তিনি জানান।

অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি নিয়েও দুইপক্ষ আলোচনা করেছে বলে জানা যায়। বৈঠকের পরে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেকক্ষণ আলোচনা হয়েছে।

ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে আরও জানতে চেয়েছি এবং যুক্তরাষ্ট কি করতে চায়, কিভাবে করতে চায় সেটি আমাদের জানাতে বলেছি।’

বৈঠকে রোহিঙ্গা ছাড়াও ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তিন সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা এম খোরশেদ আলম, কামরুল আহসান মাহবুবউজ্জামান ও বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।