এতে ২৭টি পদের মধ্যে সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪টি পদেই জয়ী হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা। এদের মধ্যে ৮টি সম্পাদকীয় ও ৬টি সদস্য পদ পেয়েছেন তারা। সভাপতিপদসহ ১৩ পদে জয়ী হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। এদের মধ্যে ৪টি সম্পাদকীয় ও ৯টি সদস্য পেয়েছেন তারা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনের সদস্য অ্যাডভোকেট জুয়েল সিকদার এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, নির্বাচনে মোট ১৬ হাজার ১২৯ জন ভোটারের মধ্যে ৯ হাজার ১১ জন আইনজীবী ভোটে অংশগ্রহণ করেন।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেলে ৮টি সম্পাদকীয় পদে বিজয়ীরা হলেন, সাধারণ সম্পাদক পদে মিজানুর রহমান মামুন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী শাহানারা ইয়াছমিন, সহ-সভাপতি পদে রুহুল আমিন, ট্রেজারার পদে আরিফুর রহমান চৌধুরী সুমন, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার দিপু, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে কামাল হোসেন পাটয়ারী, লাইব্রেরি পদে এম মনিরুজ্জামান মানির এবং দফতর সম্পাদক পদে আব্দুর রশিদ।
নীল প্যানেলের ৪ সম্পাদকীয় পদে বিজয়ীরা হলেন, সভাপতি পদে গোলাম মোস্তফা খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে শাহনাজ বেগম শিরীন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে এম এ বি এম খায়রুল ইসলাম লিটন এবং খেলাধুলা সম্পাদক পদে মোহাম্মাদ খলিলুর রহমান।
সাদা প্যানেলের সদস্যপদে বিজয়ী ৬ জন হলেন, আব্দুর রহমান খান মিলন, আসাদুজ্জামান বাবু, মির্জা জামাল হোসেন, সাইফুজ্জামান টিপু, সিফাত নাহার সুমি ও সুমন মিয়া।
নীল প্যানেলের ৯ জন বিজয়ী সদস্য হলেন, একতানদার হোসেন হাওলাদার বাপ্পি, হান্নান ভুইয়া, জাকিয়া সুলতানা মিষ্টি, মুকতাদির আহমেদ কাজল, জাহেদ উল আলম জতি, জেবুন্নেছা খানম জীবন, শারমিন জাহান শিমু ও জহুরা খাতুন জুঁই ও মেহেদী হাসান বাদল।