রবিবার বিকালে ঢাকা নদীবন্দর টার্মিনাল ভবন সম্মেলন কক্ষে অভ্যন্তরীণ নিরাপদ নৌ-পরিবহন ব্যবস্থাপনা ও বিধি বিষয়ে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘সদরঘাট টার্মিনালকে হকার মুক্ত করা হয়েছে। যা সবাই প্রশংসা করেছে। যাত্রীরা যাতে সহজে আসা-যাওয়া করতে পারে সেজন্য টার্মিনালকে সম্প্রসারিত করা হয়েছে। সদরঘাটে যাত্রীদের চাপ কমানোর জন্য পোস্তগোলা শ্মশানঘাটে আরেকটি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। এই ঘাট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। আমরা সদরঘাট টার্মিনালকে আধুনিক টার্মিনালে রূপান্তরিত করবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘টার্মিনালে একটি অনুসন্ধান ও মনিটরিং সেল করা হবে। সদরঘাট টার্মিনালে যাত্রী নিয়ে টানাটানিও বন্ধ হয়েছে। টার্মিনালে যাত্রী দুর্ভোগ লাগবে দ্বায়িত্বে পালনে ব্যর্থ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নৌমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বুড়িগঙ্গা নদী দিয়ে আন্ডার পাস করার পরিকল্পনা করছি। বিশ্বের কোথাও নেই এভাবে নৌকা দিয়ে মানুষ নদী পারাপার হয়। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে বুড়িগঙ্গা পার হচ্ছে।’