মুক্তিযোদ্ধা এবং ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর প্রথম জানাজা পিংক সিটি জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাগরিবের নামাজের পর হাফেজ মাওলানা জুনায়েদ আহমেদ জানাজা পরিচালনা করেন। এতে পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও অংশ নেন তাকে দেখতে আসা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।
জানাজা শেষে তার মরদেহ ল্যাব এইড হাসপাতালের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে হিমঘরে তার মরদেহ রাখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রিয়ভাষিণীর বড় ছেলে কারু তিতাস।
এদিকে, মুক্তিযোদ্ধা এবং ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মরদেহ মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার মামা প্রয়াত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাজিম মাহমুদের কবরে সমাহিত করা হবে বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন কবি আব্দুস সামাদ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি জানান, মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার মামা নাজিম মাহমুদের কবর আছে। সেই কবরেই বৃহস্পতিবার তাকে দাফন করা হবে।
পরিবারসূত্রে আরও জানা যায়, প্রিয়ভাষিণীকে দেখতে তার ছোট ছেলে তুর্য থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে বুধবার রাত ১২টায় ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন। মূলত তার অপেক্ষাতেই মরদেহ হিমঘরে রাখা হচ্ছে। এদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জোহরের নামাজের পর তার আরেকটি জানাজা হবে। এরপর মরদেহ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে।