বৃহস্পতিবার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ আয়োজিত ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, “‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন’ বিষয়ক প্রথম খসড়া প্রস্তাবে আমি হতাশ। এখানে ২২টি উদ্দেশ্যের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু কোনও অগ্রাধিকার ঠিক করা হয়নি।’
এম শহীদুল হক বলেন, “জাতিসংঘ সেক্রেটারিয়েট তার প্রথম খসড়ায় বলেছে, ‘এটি কোনও দেশের জন্য বাধ্যতামূলক হবে না’, যেটি করার কোনও অধিকার তাদের নেই।” কোনটি দেশগুলির জন্য বাধ্যতামূলক হবে এবং কোনটি হবে না, এটি ঠিক করবে সদস্য রাষ্ট্রগুলি, জাতিসংঘ সেক্রেটারিয়েট নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রস্তাবিত শরণার্থী বিষয়ক কমপ্যাক্ট কাঠামো প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘নতুন কাঠামো ও জাতিসংঘ ৫১ কনভেনশনের বিষয়বস্তু একই ধরনের এবং এই কারণে অনেক দেশ এর বিরোধিতা করলে আমি অবাক হবো না।’
এখানে উল্লেখ্য, বাংলাদেশ শরণার্থী বিষয়ক জাতিসংঘ ৫১ কনভেনশন সমর্থন করে না। কারণ, এটি করলে রোহিঙ্গাসহ অন্য যে কোনও বিদেশি বাংলাদেশে আশ্রয় চাইলে তাকে আশ্রয় দিতে বাংলাদেশ বাধ্য থাকবে।