স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা নগরীর ১০০টি স্থানে জরিপ পরিচালনা করে। এর মধ্যে ১৯ স্থানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মশার পরিমাণ একটু বেশি দেখা গেছে। তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত হওযার তেমন কারণ নেই বলে বলা হয়ে প্রতিবেদনে।
এ বিষেয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনা বলেন, সম্প্রতি রাজধানীতে মশার গতিবিধি ও উপদ্রবের ওপর একটি প্রাক মৌসুম জরিপ পরিচালনা করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা। এতে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মশার তেমন উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
তবে প্রস্তুতি হিসেবে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা কর্তৃক ডেঙ্গু রোগের ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্টের ওপর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ, পপুলার মেডিক্যাল কলেজ ও ঢাকা শিশু হাসপাতালে কর্মরত মোট ১৮০ জন চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সামনে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মৌসুম আছে। সরকারি উদ্যোগে মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, গত বছর চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছে বাংলাদেশ। গত এক বছর ধরে দেশে চিকুগুনিয়া ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নানা কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। চিকুনগুনিয়া ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। এ বিষয়ে সজাগ রয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, দেশে ডেঙ্গু রোগের ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট গাইড লাইন তৈরি করা হয়েছে। খবর বাসস।