পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রদূত প্রতিমন্ত্রীকে জানান মিয়ানমার ও বাংলাদেশ উভয়েই চীনের বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী। রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে বেইজিং। আলোচনায় চীনের রাষ্ট্রদূতের কাছে এই সমস্যা সমাধানের জন্য রাজনৈতিক সমর্থন চান শাহরিয়ার আলম।
চীনের রাষ্ট্রদূত গত সপ্তাহে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেন।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার জন্য মিয়ানমারের বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলে রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং ঝু প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে জানান, চীন মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কাজ করার চেষ্টা করছে।
চীনের অর্থায়নে বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্প দ্রুত শেষ করার আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বিশেষ করে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ এবং ঢাকা অঞ্চলে পাওয়ার সিস্টেম নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ প্রকল্প দুটি দ্রুত শেষ করার আহ্বান জানান।