এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিভিল এভিয়েশন অথরিটির এক কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ইউএস-বাংলা বিমান দুর্ঘটনায় নেপালের তদন্ত দলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আমাদের ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। এ জন্য ৬ সদস্যের নামের তালিকাও নেপালে পাঠানো হয়েছে।’
তদন্ত প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার দুপুরে সিভিল এভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান বলেন, ‘তদন্ত কবে নাগাদ শেষ হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল। এ দুর্ঘটনা তদন্তে দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে। ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের (আইকাও) নিয়ম অনুযায়ী ৩৬৫ দিনের মধ্যে এ ধরনের তদন্ত শেষ করতে হয়। প্রয়োজনে আরও বেশি সময় নেওয়া যেতে পারে।’
উল্লেখ্য, গত ‘২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৭১ আরোহীর মধ্যে ৪৯ জন মারা যান। এর মধ্যে চার ক্রুসহ ২৬ জন ছিলেন বাংলাদেশি।
এ প্রসঙ্গে সিভিল এভিয়েশনের সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালনা) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বিমানের ব্ল্যাকবক্সটি উদ্ধার করা হয়েছে। ব্ল্যাকবক্সের ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার (এফডিআর) ও ককপিট ডাটা রেকর্ডার (সিভিআর)-সহ অন্য তথ্য বিশ্লেষণ করলে দুর্ঘটনার কারণ বেরিয়ে আসবে।