‘পাকিস্তানের প্রক্সি খেলোয়াড় হিসেবে বিএনপি এখন দেশে ষড়যন্ত্র করছে। ২৫ মার্চ পাকিস্তানিবাহিনী বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল। সেদিন আমাদের পুলিশ, ইপিআর ছাত্র-জনতা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় বিএনপি এ দিনটি পালন করে না।’ রবিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত ‘গণহত্যার কালরাত্রি সমাবেশ ও আলোর মিছিল’ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘মনি ভাইয়ের (শেখ ফজলুল হক মনি) বাসায় আমরা সেদিন ছিলাম। সেখান থেকেই গুলির শব্দ পাচ্ছিলাম। প্রথম গুলির শব্দের পরই বেতারে বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠ আমরা শুনতে পেয়েছিলাম। দুঃখের বিষয় এই দিবসটি বিএনপি পালন করে না। এই দেশ বিরোধীদের বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে।’
সমাজকল্যাণমন্ত্রী মেনন বলেন, ‘১৯৭১ সালের এইদিনে পল্টনে আমরাই শেষ জনসভা করেছিলাম। বাংলাদেশ স্বাধীন করার স্লোগান উঠেছিল সেখানে। যে স্লোগান বঙ্গবুন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পরই সারাদেশে উঠেছিল। কিন্তু আমরা কেউই ভাবতে পারিনি এমন হত্যাযজ্ঞ চালানো হবে। আমাদের পুলিশ, ইপিআর, ছাত্র-জনতা সেদিন প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। পাকিস্তান সেনাবাহিনী সে প্রতিরোধ গুঁড়িয়ে দিয়েছিল সত্য কিন্তু আমরা শুরুতেই প্রতিরোধ গড়েছিলাম।’
এরপর ঠিক ৯টায় শহীদ মিনার এলাকায় সব আলো নিভিয়ে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে গণহত্যার ৪৮তম দিবস উপলক্ষে ৪৮টি মশাল প্রজ্জ্বলন করা হয়। পাশাপাশি মোমবাতি জ্বালিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি মিছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে গণহত্যার স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধে মোমবাতিগুলো রাখা হয়।