বীরপ্রতীক হামিদুল হকের অবহেলায় পড়ে থাকার সংবাদ চোখে পড়ে ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজের। তারই উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) বীরপ্রতীক হামিদুল হককে ভর্তি করা হয় ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালে।
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে হামিদুল হকের ছেলে ওবাইদুল হক তাকে নিয়ে আসেন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তাসাদ্দুক আহমেদ প্রাথমিকভাবে হামিদুল হকের শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। পরে তিনি মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাবরীনা ইয়াসমীনের অধীনে ভর্তির সুপারিশ করেন। সেই অনুযায়ী তাকে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান হাসপাতালের তথ্য কর্মকর্তা সুব্রত মণ্ডল।
হামিদুল হকের চিকিৎসা প্রসঙ্গে হাসপাতালের ডা. এম এ আজিজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা তাকে মেডিসিন বিভাগের অধীনে ভর্তি করেছি। তার শারীরিক অবস্থার খুঁটিনাটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার চিকিৎসার সার্বিক সহযোগিতা করবে।’
মুক্তিযুদ্ধে সাহস ও বীরত্বের জন্য হামিদুল হককে বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়। ১৯৭৩ সালের সরকারি গেজেট অনুযায়ী তার বীরত্বভূষণ নম্বর ৪২২। তিনি ১৯৭২ ও ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তার একাধিকবার দেখাও করেছেন।
১৯৯০ সালে সখীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন হামিদুল হক। বর্তমানে সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ভাড়া বাসায় সপরিবারে বসবাস করছেন তিনি। স্ত্রী রোমেচা বেগম এবং চার ছেলে, এক মেয়ে নিয়ে দিন কাটছে হামিদুল হকের।
আরও পড়ুন-
‘এ দেশ জঙ্গিদের হবে না, স্বাধীনতাবিরোধীদের হবে না; এ দেশ হবে মুক্তিযোদ্ধাদের’